ডেটনাটলি হলো আখরোট, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, ঘি, খেজুর ও মধুসহ ৬টি প্রাকৃতিক পুষ্টিকর উপাদানে তৈরি একটি নিউট্রিশন স্প্রেড (Nutrition Spread) বা বাটার (Date & Nut Butter)। স্বাদের পাশাপাশি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, শারীরিক বৃদ্ধি, হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য, শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সুষম সমন্বয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এ ধরণের স্প্রেড বা বাটার সাধারণত রুটি, পাউরুটি, টোস্টে স্প্রেড করে বা মেখে খাওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে মিল্কশেক বা স্মুদি তৈরি করে, আবার ওটস, দই, ফল, পায়েসসহ বিভিন্ন রেসিপিতে যোগ করেও খাওয়া যায়।
না। দুটিই স্প্রেড বা বাটার হলেও উপাদান, তৈরির উদ্দেশ্য এবং পুষ্টিগুণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
পিনাট বাটার মূলত চিনাবাদাম ও কিছু সহায়ক উপাদান দিয়ে তৈরি। অন্যদিকে ডেটনাটলি তৈরি হয়েছে আখরোট, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, ঘি, খেজুর ও মধু—এই ৬টি প্রাকৃতিক পুষ্টিকর উপাদানের সমন্বয়ে।
ডেটনাটলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, হাড়-দাঁতের স্বাস্থ্য সহ শারীরিক গঠন, শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় পাওয়া যায়।
টেস্টের দিক থেকে বলতে গেলে, কাজুবাদাম, খেজুর ও মধুর প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও সমৃদ্ধ স্বাদের সুষম সমন্বয়ে ডেটনাটলি তার দারুণ টেস্টের জন্য ছোট-বড় সবার কাছেই প্রিয় হয়ে উঠেছে।
১ বছরের বেশি বয়সী শিশু থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা, কর্মজীবী, ডায়েট ও ফিটনেস সচেতন ব্যক্তি এবং বয়স্ক—পুরো পরিবারের জন্যই ডেটনাটলি একটি পুষ্টিকর খাবার।
ডেটনাটলিতে দেশি বা থাই—কোনো ধরনের চিনাবাদাম (পিনাট) ব্যবহার করা হয় না। তাই যারা পিনাট এড়িয়ে চলেন অথবা পিনাট অ্যালার্জির কারণে পিনাট বাটার বা চিনাবাদামযুক্ত খাবার খেতে পারেন না, তাদের জন্য ডেটনাটলি একটি উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে।
এছাড়া কিছু ছোট বাচ্চার শরীর ৩–৪ বছর বয়সের আগে পিনাট সহজে সহ্য করতে পারে না। আবার পিনাটের বিশেষ ধরণের তীব্র স্বাদ ও গন্ধের কারণেও বাচ্চা সহ অনেকেই এটি খেতে পছন্দ করেন না। ডেটনাটলিতে পিনাট ব্যবহার করা হয় না, তাই এ দিক থেকেও এটি একটি ভিন্ন ও উপযোগী বিকল্প।
তাছাড়া কাজুবাদাম, খেজুর ও মধুর প্রাকৃতিক মিষ্টতা আর সমৃদ্ধ স্বাদের মেলবন্ধনে তৈরি ডেটনাটলি পেয়েছে অসাধারণ ফ্লেভার, যা ছোট-বড় সবার কাছেই প্রিয় হয়ে উঠেছে।
ফ্রিজের বাইরে সাধারণত প্রায় ১ মাস এবং ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে প্রায় ৩ মাস বা তারও বেশি সময় ভালো থাকে। ডেটনাটলিতে থাকা মধু ও প্রাকৃতিক সয়া লেসিথিন পুষ্টির পাশাপাশি স্বাভাবিকভাবে সংরক্ষণেও সহায়তা করে।
প্রতিটি অর্ডারের সঙ্গে ফ্রি ‘ডেটনাটলি নিউট্রিশন গাইড’-এ সংরক্ষণের সঠিক নিয়মসহ আরও অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য থাকছে।
ডেটনাটলি সাধারণত রুটি, পাউরুটি বা টোস্টে স্প্রেড করে খাওয়া হয়। এছাড়া ওটস, তালবিনা, সুজি, দুধ, স্মুদি, মিল্কশেক, পায়েস, দই কিংবা বিভিন্ন ডেজার্টে স্বাদ ও পুষ্টি বাড়াতে মিশিয়েও খাওয়া যায়। চাইলে সরাসরি চামচ দিয়েও খেতে পারেন।
এ বিষয়ে ডেটনাটলির সঙ্গে দেওয়া ‘ডেটনাটলি নিউট্রিশন গাইড’-এ আরও অনেক বিস্তারিত ও মজাদার রেসিপি এবং খাওয়ার টিপস ও আইডিয়া রয়েছে।
ওজন বাড়বে নাকি কমবে, তা মূলত নির্ভর করে আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন এবং কী ধরনের ডায়েট অনুসরণ করছেন। পরিমাণ অনুযায়ী খেলে ডেটনাটলি ওজন কমানোর বা নিয়ন্ত্রণে রাখার ডায়েটেরও অংশ হতে পারে।
এছাড়া মিষ্টি ও চকলেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে অতিরিক্ত চিনি মেশানো মিষ্টি খাবার ও প্রসেসড চকলেটের বদলে ডেটনাটলি একটি প্রাকৃতিক বিকল্প হতে পারে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
আমাদের কাছে কোয়ালিটি মানে শুধু ভালো স্বাদ নয়; পুষ্টি, স্বাদ এবং ফ্রেশনেস—এই ৩টি বিষয়ের সমন্বয়।
তাই আমরা উপাদানের পুষ্টিগুণ ও স্বাদের ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি নিয়মিত ছোট ছোট ব্যাচে উৎপাদন করি, যাতে প্রতিটি জার যতটা সম্ভব ফ্রেশ অবস্থায় আপনার হাতে পৌঁছায়।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের অনেক নিয়মিত রিপিট কাস্টমার রয়েছেন, যা ডেটনাটলির কোয়ালিটির প্রতি তাদের আস্থারই একটি প্রমাণ।
আপনার অর্ডার নিশ্চিত করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন